অ নি ন্দি তা অ নু শ্রী

  • চক্রব্যূহ
  • ২০২৫-০৪-২৬ ১৭:৩১:৪০
image

জীবন এখন আটকে থাকে অন্ধগলিতে 
কখনো কখনো ভেসে যায় চোরাস্রোতে ! 
চোরাবালিতেও ডুবে যায় কালে অকালে। 

অথচ জীবন হওয়া উচিৎ ছিল বহমান নদীর মত 
অটল পাহাড় কিংবা অসীম সমুদ্রের মতই বিশাল।
জীবন হওয়া উচিৎ ছিল অঙ্কের মত সরল 
বিজ্ঞানের মত যৌক্তিক, সাহিত্যের মত সাবলীল, 
দর্শণের বিচারিক প্রকৃয়ায় জীবন হওয়া উচিৎ ছিলো ভাবাতুর।
সত্যিকার অর্থে জীবন হওয়া উচিৎ ছিলো নদীর মতই বহমান।

আজকাল জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া বড় শক্ত! 
এই তো মনে হয় আগামীর সম্ভবনা ছুঁয়ে দেখবো স্বপ্নসিঁড়ি বেয়ে, 
অথচ পায়ে পায়ে হোঁচট খেয়ে রক্তাক্ত হতে হতে বাস্তবে ফেরা। 
অকালের কালে প্রজাপতি তাই পূনরায় শুয়োপোকা হয়ে যায়
কীটের যন্ত্রণায় পতঙ্গরা নিজেদের সৌন্দর্য হারায়।

যে মেয়েটি সুঁচের ফোঁড়ে স্বপ্ন বুনতো নিভৃতে 
আজ সে কেবলি নীরবতার কোলে লুকিয়ে কাঁদে,
হাসির মধ্যে বিষাদ লুকিয়ে একাকী নিভৃতে শঙ্কায় ডুবে যায়,
স্বপ্নসিঁড়িতে পা দেয় বটে কিন্তু চূড়ায় ওঠা তার হয়ে ওঠে না। 
শ্বাপদের দল চারিদিকে বিষাক্ত নিঃশ্বাস ফেলে দুষিত করছে মানবজমিন। 

আলোর দ্যুত হয়ে একদিন যারা অন্ধকার দূর করার প্রত্যয় নিয়েছিলো, 
তারা আজ বাকরুদ্ধ হয়ে জীবনের অন্ধকারে গুমরে কাঁদে। 
অমানুষের তাণ্ডবে আজ জীবজগত থেকে মানবজমিন বিপর্যস্ত ! 
মানুষেরা আজ চক্রবুহ্যে বন্দী, 
চক্রব্যূহ ভেদ করার উপায় না জানলে ধ্বংস কেবলি সময়ের অপেক্ষা।