যাকে নিয়ে লিখতে গেলে আমার কলম দিশেহারা হয় বারবার!
দেশের শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা গুলোতে এই মহীয়সী নারীকে নিয়ে লিখেছি বহুবার।তার মেধা,মনন,প্রতিভা আজও দর্শক চিত্তের কাছাকছি অম্লান।
কন্ঠস্বরের তন্ময় গভীরতা,অনন্য সাধারণ গাম্ভীর্য,আরাদ্ধ সুর সমৃদ্ধতায় ভরপুর,ছন্দ বৈচিত্রের আবেগ ধ্বনী আর উপস্থাপনার নৈপুণ্যে উৎসারিত কন্ঠের অধিকারিনী ড.নাদিরা আশরাফ মহুয়া।পর্দায় বিচরণ তাঁর প্রজাপতির মত,বাতাসে উঠে শিহরন,হৃদয় জাগানো গ্ল্যামার তার বৈশিষ্ট্য। জয় করেছে অনেক ভক্তদের হৃদয়,সবার প্রিয় ড.নাদিরা আশরাফ মহুয়া। তিনি একাধারে কণ্ঠশিল্পী,নৃত্যশিল্পী,অনুষ্ঠান নির্মাতা,গীতিকার উপস্থাপিকা ও সর্বোপরি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা।
বাংলাদেশ বেতার টেলিভিশনের বিশেষ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী নাদিরা আশরাফ মহুয়া বিটিভিতে তাঁর পরিকল্পনা,উপস্থাপন ও গ্রন্থনায় একটি বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান "সাত রং"
দীর্ঘকাল আলোচিত ও আলোকিত হয়ে প্রচার হয়েছিল,যা আজ ও স্রোতা দর্শক চিত্তের কাছাকছি অম্লান।এছাড়া ও তিনি বিটিভির নিয়মিত অনুষ্ঠান "অচিন পাখি" উপস্থাপনা করে দর্শক হৃদয়ে স্বমহিমায় স্থান করে নিয়েছেন।বাজারে তার গাওয়া গানের কয়েকটি একক এলবাম রয়েছে।দেশ বরেণ্য সুরকার-সুবল দাশ,শেখ সাদী খান,সত্য সাহা,
খন্দকার নুরুল আলম,আজাদ রহমান তাদের সুরে গান গেয়েছেন অর্জন করেছেন জনপ্রিয়তা দেশের প্রাইভেট চ্যানেল গুলোতে ও তিনি তার ব্যস্ততার মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন যা এখনো আমাদের কাছে সুখস্মৃতি হয়ে আছে।
বহু গুণে গুণাণ্বিত,আলোচিত আলোকিত এক
বিরল প্রতিভা ড.নাদিরা আশরাফ মহুয়া।তিনি কী হারিয়ে গেলেন!নাকি আবারও টিভির পর্দায়।
তিনি দীর্ঘদিন টিভি পর্দায় অনিয়মিত থাকলেও আমরা এই গুনী মানুষটিকে আশা করি খুব শিঘ্রই টিভি পর্দায় দেখতে পাবো।