অনেকটা পথ হেঁটে এলাম
হেঁটে হেঁটে বড় ক্লান্ত শ্রান্ত আমি
মনে হচ্ছে পথের বাঁকে শেষ বট গাছের
আশ্রয়টা কবে আসবে
নদী বয়ে যাচ্ছে তার নিজের গতিতে
পাহাড়টা দাঁড়িয়ে আছে তার দৃপ্ত কঠিন ভঙ্গিমায়
আমি খুঁজি ভালোবাসার শেষ রজনীগন্ধার স্তবকটা
না - গন্ধটা এখনও মরে যায়নি
ফুলটা মরে গেলেও ফেলে গেছে গন্ধটা
আজ মনে হয় অনেক পাওয়া হয়ে গেছে-
যা পাইনি তা আমার ছিলনা কোনদিন
তাই তানপুরার ধূলো ঝারতে গিয়ে কবির গান
গুণগুণিয়ে ওঠে মনের নীরবতায় যখন পরবে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে
দুঃখ পেয়েছি কিন্তু দুঃখ আমায় দিয়েছে অনেক--
অবহেলিত অবাঞ্ছিত মনটাকে আঘাতে আঘাতে
শক্ত ইটের গাঁথনি দিয়ে গেঁথে দিয়েছে
দুঃখের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে আমি অচেনাকে চিনতে শিখেছি,
শিখেছি অজানাকে জানতে
দুঃখ আমায় সৃষ্টির উন্মুক্ত পথ খুলে দিয়েছে
তাইতো দুঃখ আমার জয়ের মালা
যেতে যেতে ফেলে যাচ্ছি কিছু চিহ্ন আর কিছু কবিতা
কোন এক মন কেমন ভরা সন্ধ্যায় যদি মনে পড়ে আমায়
পড়ে নিও আমার না বলা কথার ডায়েরিটা--।।