অবশেষে ছোট্ট জীবনটির হলো অবসান,
মৃত্যুর কোলে ঠাঁই নিল নিষ্পাপ শিশু প্রাণ।
যমে মানুষের টানাটানিতে যমের হলো জয়,
রুধিতে পারিলনা কেউ সমাজের অবক্ষয়।
কে হবে দায়ী এই পরিস্থিতির জন্য?
কোন শক্তি ঘুচাবে সমাজের এই দৈন্য?
নরপিশাচেরা চারিদিকে রাত্রির অন্ধকারে,
ঘাপটি মেরে বসে থাকে ধর্ষণের তরে।
নারী কূল আজ নিরাপদ নয় কোনোখানে,
নিজ গৃহ কিংবা আত্নীয় পরিজনে।
সদ্যোজাত নারী শিশুর নিষ্পাপ গায়ে,
পাপিষ্ঠ পুরুষ কামড় বসায় যৌন লালসায়।
অসুস্থ নরপিশাচরা করে অবাধে বিচরন,
স্কুল-কলেজ,রাস্তা ঘাট অথবা নিজ গৃহের প্রাঙ্গণ।
করণীয় কি হবে নারী সুরক্ষার নিশ্চয়তায়?
কে আনবে এদের কঠোর বিচারের আওতায়?
নিয়েছে যে কেড়ে তোমার বাঁচার অধিকার,
এই সমাজ যদি না পারে দিতে দণ্ড- তিরস্কার।
মাগুরার শিশু, তুমি ভুলেও তারে দিওনাকো ছেড়ে,
শেষ বিচারের দিনে নিও হিসাব আদায় করে।
বিচার হবে সেইদিন হাশরের ময়দানে,
ফিরে পাবে শান্তি তখন তুমি প্রাণে।
ততদিন খেলা কর নিশ্চিন্তে নির্দ্বিধায়,
হুর-পরীদের সাথে বেহেশতের ফুল বাগিচায়।