গরিবের স্বপ্নের ঠিকানা ভাঙ্গনের কবলে হরিঢালীর মুজিববর্ষের ঘর

  • এইচ,এম,শফিউল ইসলাম
  • ২০২৩-০৮-০৩ ০৬:১৭:৪৭
image
কপিলমুনি (খুলনা) সংবাদদাতা পাইকগাছার হরিঢালী ইউনিয়নের গোলাবাটি কপোতাক্ষ নদের পার্শ্বে গরিবের স্বপ্নের ঠিকানা মুজিববর্ষের ঘর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ঐ স্বপ্নের ঘরের বাসিন্ধরা শ্রমিক নেতা মোঃ মোসলেম উদ্দীন দয়াল ভান্ডারী,পত্রিকার হকার আঃ মমিন গাইন,এনায়েত আলী,তৃতীয় লিঙ্গের হিজরা কাকলী জুঁই,লাবনী ,চন্দনারা জানান কপোতাক্ষ নদের জোয়ারের পানিতে রাতে ও দিনে ভাঙ্গনের কবলে পড়েছি যে কোন মুহুর্তে নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে গরীবদের স্বপ্নের ঠিকানা। তারা আরও বলেন যে মুজিববর্ষের ঘর পেয়ে একটা ঠিকানা পেয়েছিলাম সেটা যদি না থাকে তবে আবার যাযাবর জীবন চালাতে হবে। হিজরারা জানান তাদের কেহ ঘর ভাড়া দিতে চায় না। তা ছাড়া পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজের কাছে গিয়ে ভাঙ্গণের খবর দিয়েছি অনেক আগে আজও কোন কাজ হয়নি বলে জানান শ্রমিক নেতা দয়াল ভান্ডরী। ডুবা-জাগা ও ভাঙ্গনের আতংকে ঝুঁকি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের গোলাবাটি মুজিববর্ষের স্বপ্নের ঘরের ১০ টা ঘরের অসহায় ভুমিহীন পরিবার গুলি। সরে জমিনে বৃহস্পতিবার দেখাযায় যে কপোতাক্ষের স্্েরাত দিনকে দিন বেড়েই চলেছে তাদের বাড়ি ঘর রক্ষায় আজও পর্যন্ত দেওয়া হয়নি কোন টেকসই বেঁড়িবাঁধ। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আবার নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বেশি করে। এ ব্যাপারে হুিরঢালী ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আজিজুল ইসলাম খাঁ জানান,আমি পাইকগাছা ও আমার ইউনিয়নের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদেরকে গোলাবাটি মুজিববর্ষের ঘর কপোতাক্ষ ভাঙ্গন রোধে সরকারের তরফ থেকে কিছু জিও ব্যাগ ফেলার কথা বলেছি কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি এখনও। ভাঙ্গণকুলের বাসিন্ধরা জানান তারা তাদের চেয়ারম্যান এসএম আাবু জাফর সিদ্দিকী রাজুর ঐ মুজিববর্ষের ঘরে উঠা হতে আজও পর্যন্ত কেহ চেয়ারম্যানকে দেখেনি,খোজও নেয় না। ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এইচ,এম,মুজাহিদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে পাইকগাছা কয়রা সংসদ সদস্য মোঃ আকতারুজ্জামান বাবুর সাথে কথা হয়েছে। তিনি ভাঙ্গনের বিষয় নিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন। পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার বলেন কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে চলতি বছরের চাহিদা পাঠিয়েছি। এখনও বরাদ্দ হয়নি, বরাদ্দ হলে কাজ শুরুকরা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, ভাঙ্গন এলাকার খোজ পেয়েছি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি।