চলচ্চিত্রের রূপালি পর্দায় তাঁকে সবচেয়ে ভালো মানাতো একজন ব্যর্থ প্রেমিকের অভিনয়ে। যদিও এসব চরিত্রে তিনি পিতা রাজ্জাককে অতিক্রম করতে পারেননি কখনোই।
‘আমি তো একদিন চলে যাব’, ‘তোমরা সবাই থাকো সুখে’সহ বেশ কিছু বিরহ ঘরানার গান আজও দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এসব গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। এসব গানে কষ্টের মাঝে এক ফালি হাসি দিয়ে হাজারো দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন তিনি।
আজ বাপ্পারাজের জন্মদিন। ১৯৬৩ সালের ১১ মার্চ কলকাতার নাকতলার পৈতৃক বাড়িতে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
'৬৪ সালের মাঝামাঝি পিতার কোলে চড়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় আসেন রিফিউজি হয়ে পরিবারের সবার সাথে।
বাপ্পারাজ চলচ্চিত্রে এসেছিলেন বাবা নায়করাজ রাজ্জাকের হাত ধরে। সময়টা ছিল ১৯৮৬ সাল। ছবির নাম 'চাঁপাডাঙ্গার বউ'। পরিচালক ছিলেন তাঁরই পিতা নায়করাজ রাজ্জাক।
বাপ্পা ওই ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন। তারপর একে একে আরও অনেকগুলো চলচ্চিত্রে কাজ করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান।
অভিনেতা বাপ্পারাজ এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো - ঢাকা-৮৬, প্রেমের সমাধি, জীবন সীমান্তে, জজ ব্যারিস্টার, হেড মাস্টার, ভালবাসা সেন্টমার্টিনে, কাকতাড়ুয়া, জীবন যন্ত্রণা, মোস্ট ওয়েলকাম, বাবা কেন চাকর প্রভৃতি।
তবে 'চাঁপা ডাঙার বউ, 'সৎভাই' এবং 'বাবা কেন চাকর' চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয় করার মাধ্যমে অজস্র প্রশংসা ও খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে তাঁর।
তাঁর পুরো নাম রেজাউল করিম। ডাক নাম বাপ্পা। বাপ্পার বোন ময়নাও ও একসময় চলচ্চিত্রে শিশু চরিত্রে অভিনয় করতেন। ছোট ভাই সম্রাট চলচ্চিত্র ও নাটকের সাথে জড়িত আছেন। সবার ছোটটির নাম বাপ্পি।
আজকের এই বিশেষ দিনটিতে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা ।