আমি
অনেক বুইড়া মহিলাদের 'তুমি' কইরা বলি।
এর মধ্যে একজন পলিটিশিয়ানের বউও আছে।
এইসব 'তুমি' কইরা বলা মহিলারা আমার বন্ধু।
তারা ডাকলে আমি তাদের কাছে যাই।
তাদেরে সঙ্গ দিই।
এই বৃহস্পতিবার গেছিলাম পলিটিশিয়ানের বউটার কাছে
গিয়া দেখি তার বত্রিশশো স্কয়ার ফিটের বাসায়
সে একা বইসা আছে গোমড়া মুখে।
না না, একা না ঠিক। একটা কাজের চেংড়ি ছেড়ি
আছে লগে। দেখি ছেড়িটার মুখও গোমড়া।
কী হইলো আজ!—
আমি জিগাইলাম, তোমার বুইড়া ভাতার কই?
পলিটিশিয়ানের বউ বললো, খাটাশটা থাইল্যান্ড গেছে।
শাদা চামড়ার মাগী লাগাইতে?— বললাম আমি।
আমরা কফিতে চুমুক দিলাম।
আলাপে ডি এল রায়ের প্রসঙ্গ এলো।
ঐ যে, ওই বানচোত কবি, যে হালায় লিখছিলো
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি
আমি বন্ধুকে বললাম,
দ্যাখো, তোমার ভাতার জন্মভূমির গোয়া মাইরা
আজ অন্যভূমির গোয়া লইয়া মাতাল।
কেমন কবি হইছো তোমরা!— বন্ধু বলে, সামান্য পলিটিশিয়ানরে নিয়ন্ত্রণ
করতে পারো না!
শাউয়ার কবি তোমরা।