আমি চাইলাম যারে পাইলাম না তারে সে এখন বাস করে অন্যের ঘরে’, ‘আমার বন্ধুয়া বিহনে গো, সহেনা পরানে গো, একেলা ঘরে রইতে পারি না' এবং ‘আতর গোলাপ সোয়া চন্দন, সাজাইলাম ফুল বিছানা/অভাগির বাসরে বন্ধু কেন আইলা না’- এরকম হাজারো গানের রচয়িতা মরমী সাধক গীতিকার ও সুরকার বাউল কফিল উদ্দিন সরকার।
মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম ও দুর্বিন শাহর সান্নিধ্য পান। সেই থেকে তার বাউল জগতে বিচরণ। বাউল গানের পাশাপাশি মালজোড়া গানেরও কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী তিনি।
জন্ম ১৯৩২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়।
দেশেবিদেশে তার বহু শিষ্য-অনুসারী রয়েছেন। বাউল সাধক দুর্বিন শাহের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার আকিলপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করে বাউল-সাধনা চালিয়ে যান তিনি।
তাদের সান্নিধ্যে থেকে মাঠে ঘাটে শহরে বন্দরে ঘুরে ঘুরে গেয়েছেন দেশ মাটি ও প্রেমের গান।
'রত্নভান্ডার' প্রথম খণ্ড এবং 'রত্নভান্ডার' দ্বিতীয় খণ্ড নামে তার দুটি প্রকাশিত গানের সংকলন রয়েছে যেখানে গানের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ হাজার।
তাঁর গানে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের অনেক বড় বড় শিল্পী। তাঁর হাত ধরে তৈরি হয়েছেন বাউল শিল্পী কালা মিয়া ও সাজ্জাদ নূরসহ অসংখ্য বাউল শিল্পী।
২০১২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বাউল শিল্পী কফিলউদ্দিন আহমেদ মৃত্যুবরণ কারেন।