ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধি লংমার্চ শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৫-০২-০৯ ২৩:১৪:৫৫
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফেলানীসহ সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত সকল  শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ও ফারাক্কার পানির নায্য হিস্যার দাবিতে  কয়েকটি গাড়ি বহরের লংমার্চ  রাজশাহী হয়ে চাঁপাইনবাবঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা সদরে এসে শেষ হয়েছে। গত শনিবার(৮ ফেব্রæয়ারী)  রাতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে  ‘বাংলাদেশের জনগন’  নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে শুরু হওয়া  লংমার্চটি রবিবার( ৯ ফেব্রæয়ারী) সকালে শিবগঞ্জ এসে পৌঁছায়। পরে দুপুরে শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাইস্কুলের সামনে থেকে লংমার্চ ও বিক্ষোভ শিবগঞ্জ পৌর পাইলিং মোড় এলাকার একটি আমবাগানে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের জনগণ সংগঠনের মুখপাত্র আবু মোস্তাফিজ,মাসুদ জাকারিয়া,শহিদুল হক মিন্টু,তারেক রহমান, কর্নেল অব. মিয়া মশিউজ্জামান,হেফাজত ইসলামের রাজশাহী জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক ইমরান উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আতিকুর রহমান,প্রচার সম্পাদক নাইমুল হাসান,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মোহাম্মদ ইসাহাক প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, ফেলানীর লাশকে কাঁটাতারের বেড়ায় বিদ্ধ করা হয় নি। কাঁটাতারের বেড়ায় বিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি ও  এর চালক রাজনীতিকরা এ জন্য দায়ী।  দায়ী তাদের ভারত তোষণ নীতি। এই লংমার্চ তাদের প্রতি ঘৃনার প্রকাশ। ওই ১৫ বছরে সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন বহু  বাংলাদেশী।
বক্তরা আরও বলেন, ভারত ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে পানির নায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। কিন্তু এভাবে চলতে পারে না। দেশের মানুষ এখন ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ভবিষ্যতে ভারতের যে কোন আগ্রাসন প্রতিহত করা হবে। প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। বক্তারা সীমান্ত হত্যাকান্ডের শিকারদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।  লংমার্চ, বিক্ষোভ ও সমাবেশে ভারত বিরোধি শ্লোগান দেয়া হয়।