শুরু হলো নতুন বর্ষ ২০২৫।বিদায় ২০২৪। মহাকালের গর্ভে আশ্রয় নিল আরও একটি বছর। দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন আশায় স্বাগত ২০২৫ সালকে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে ভিন্ন ভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে যাত্রা শুরু করে নববর্ষ-২০২৫।
বিদায় মানেই আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য। বিদায়ের দিনে চোখের দৃশ্যপটে একটি বছর যেন এক মুহূর্ত। আজ ভোরের সূর্য আগামীর নতুন পৃথিবী। গেল বছর ঘটে গেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানান ঘটনা। তবুও জীবন যাচ্ছে চলে জীবনের গতিতে। এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ, নতুন আশায়, নতুন স্বপ্নের প্রত্যয়ে।
পুরোনো বছর পেছনে ফেলে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার ঊষালগ্নে জমকালো আয়োজনে মেতে ওঠে বিভিন্ন দেশ, দেশের মানুষ, যা ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ নামে পরিচিত। থার্টি ফার্স্ট নাইটের ছোঁয়া পৃথিবীর নানান দেশের মতো আমাদের লেগেছে সমানভাবে।
বিদায়ী বছর ২০২৪ সালের সব দুঃখ বেদনা ভুলে গিয়ে এবং নতুন বছরের নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষা ও উদ্দীপনা নিয়ে বিশ্ববাসীর সঙ্গে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে আজ মধ্যরাতে পালিত হচ্ছে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’। যা গভীর আগ্রহের স্থানে ছিল এই ক্ষণ, সবাই মিলে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে যুব সমাজ মধ্যরাতে ১২টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে নববর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচি উদযাপনে মেতে উঠছে।
ঘরের বাইরে উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাড়ির ছাদেই পরিবার বন্ধু-বান্ধাব নিয়ে চলে নতুন বছর বরণে আনন্দ উদযাপন। নতুন বছর নতুন কিছু নিয়ে আসবে এমন প্রত্যাশা ছিলো সবার মুখে মুখে। রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরজুড়ে ছিলো অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রাতের আকাশ জুড়ে ঝলমলে আলোকছটা জানান দিলো নতুন বছরের আগমনী বার্তা। ঘড়ির কাটায় রাত ১২টা বাজতেই ২০২৫ সালকে স্বাগত জানাতে রাজধানী যেন পরিণত হয় অন্য নগরীতে। নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল দমিয়ে রাখতে পারেনি রাজধানীবাসীর উদযাপন।
ঘরের বাইরে উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাড়ির ছাদেই পরিবার বন্ধু-বান্ধাব নিয়ে চলে নতুন বছর বরণে আনন্দ উদযাপন।
নতুন বছর নতুন কিছু নিয়ে আসবে বলেও মনে করেন কেউ কেউ। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নতুন পথ চলার অঙ্গিকার করেন তারা।
এদিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস পৃথক বার্তায় ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশের মানুষ ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য বার্তা পাঠানো মাধ্যমে তাদের প্রিয়জন ও বন্ধু-বান্ধবদের শুভ কামনা জানাচ্ছেন।
রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।